রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ১০:০০
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

বাবুল আক্তারের ছেলেমেয়েকে হাজিরের নির্দেশ

ডেস্ক রিপোর্ট  মাহমুদা খানম (মিতু) হত্যা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করতে তার দুই সন্তানকে ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হাজির করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে রোববার চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহনাজ রহমান এই আদেশ দেন।
মাহমুদার স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের বাবা আবদুল ওয়াদুদ ও ভাই হাবিবুর রহমানকে এই আদেশ দেওয়া হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চট্টগ্রামের পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা বলেন, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিল বাবুল আক্তারের বড় ছেলে। আর পরিবারের সদস্য হিসেবে ছোট মেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী।

আলোচিত এই মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য এই দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। মামলায় বাবুল আক্তার যে ঠিকানা দিয়েছেন, সেখানে তার দুই সন্তানকে পাওয়া যায়নি। তার শ্বশুরের কাছেও তারা নেই। গুরুত্বপূর্ণ এই দুই সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাবুলের বাবা ও ভাইকে কয়েকবার মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। সর্বশেষ গত ২৭ মে হাবিবুর রহমানকে বলা হয়, ১৩ জুন দুই সাক্ষীকে হাজির করতে। কিন্তু হাজির করেননি। তাই দুই সাক্ষীকে আদালতে হাজির করতে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। আদালত আদেশ দিয়েছেন, ১৫ দিনের মধ্যে দুই সাক্ষীকে হাজির করতে।

বাবুল গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে তার ১২ বছরের ছেলে এবং আট বছরের মেয়েটি বাবুলের পরিবারের কাছে রয়েছে।

শিশু দুটিকে নিজেদের কাছে নিতে গত মাসে ঢাকার আদালতে আবেদন করেন মিতুর বাবা ও হত্যা মামলার বাদী মোশাররফ হোসেন। তবে তিনিও এখনো পর্যন্ত নাতি-নাতনির দেখা পাননি।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় মিতুকে।

পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ সদরদপ্তরে যোগ দিতে ওই সময় ঢাকায় ছিলেন বাবুল। তার ঠিক আগেই চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশে ছিলেন তিনি।
হত্যাকাণ্ডের পর অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে একটি মামলা করেছিলেন বাবুল। পরে নানা গুঞ্জনের মধ্যে পুলিশের চাকরি ছাড়তে হয় তাকে।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের পাঁচ বছর পর পিবিআই স্ত্রী হত্যাকাণ্ডে বাবুলের জড়িত থাকার কথা জানালে ১২ মে নতুন মামলা করেন মিতুর বাবা। ওই মামলায় বাবুল এখন কারাগারে।